আজ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)’র সামনে সিপিবি-বাসদ আয়োজিত অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে উপরোক্ত ঘোষণা দেয়া হয়।
সিপিবি’র সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহ আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাসদের কেন্দ্রীয় নেতা বজলুর রশীদ ফিরোজ, সিপিবি’র সহকারী সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ জহির চন্দন, প্রেসিডিয়াম সদস্য অনিরুদ্ধ দাশ অঞ্জন, সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স, বাসদ নেতা খালেকুজ্জামান লিপন, আহসান হাবিব বুলবুল, সিপিবি কেন্দ্রীয় নেতা হাসান তারিক চৌধুরী, ডা. সাজেদুল হক রুবেল।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, এই সরকারের আমলে ৮ বার বিদ্যুৎ এর দাম বাড়ানো হয়েছে। প্রতিবারই গণশুনানীর

নামে ‘তামাশা’ চলছে। বিইআরসি সরকারের তাবেদারি সংস্থায় পরিণত হয়েছে। অথচ এটা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। এছাড়া এবারের গণশুনানী যে বিদ্যুৎ এর দাম ডিজিটাল ব্যবস্থায় বাড়ানো হবে বলা হয়েছে।
সমাবেশে বক্তারা আরও বলেন, কুইক রেন্টালের নামে ৫৬ হাজার কোটি টাকা লুট হয়েছে। সরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোকে আধুনিকায়ন না করেই বেসরকারি লুটেরা ধনীকশ্রেণির হাতে বিদ্যুৎ খাত তুলে দেয়া হচ্ছে। ধনীকশ্রেণির লুটপাটের স্বার্থেই বিদ্যুৎ এর দাম বাড়ানো হচ্ছে। বিনা ভোটে নির্বাচিত বর্তমান সরকার আজ দুর্নীতিবাজ প্রশাসন, আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী, লুটেরা ধনীকশ্রেণির স্বার্থেই দেশ পরিচালনা করছে।

জনগণের প্রতি এই সরকারের কোনো দায়-দায়িত্ব নেই। শুধু বিদ্যুৎ নয় প্রতিটি ক্ষেত্রেই নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বাড়ানো হচ্ছে। সিন্ডিকেট ও মাফিয়াদের সরকারে পরিণত হয়েছে।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, বিদ্যুৎ এর দাম বাড়ানোর যে চক্রান্ত চলছে এর বিরুদ্ধে শ্রমজীবী মেহনতি মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে কঠোর কর্মসূচি দেয়া হবে। বামপন্থী কমিউনিস্টরা অতীতেও গ্যাস বিদ্যুৎসহ জ্বালানী খাতের দুর্নীতি ও লুটপাটের বিরুদ্ধে রাজপথে সংগ্রাম করেছে ভবিষ্যতেও লড়াই সংগ্রাম অব্যাহত রাখবে। সিন্ডিকেট মাফিয়া, মজুতদারদের পাহারাদার এই সরকারকে ক্ষমতা থেকে বিদায় করে দেয়ার আন্দোলনও জোরদার করবে।