শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)’র কাস্তে মার্কার প্রার্থীরা ৭৫ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে। এছাড়া কাস্তে মার্কা নিয়ে বাম গণতান্ত্রিক জোটের অন্যান্য দলের ২ জন প্রার্থীও আজ মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে।
সিপিবি’র পক্ষ থেকে ৮৩ আসনে মনোনয়ন চূড়ান্ত করা হলেও এ সময়ের মধ্যে জামানত ও সিডি কেনার টাকা জোগাড়সহ অন্যান্য জটিলতায় শেষ পর্যন্ত সকলের মনোনয়নপত্র জমা দেয়া সম্ভব হয়নি।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কমিউনিস্ট পার্টির
‘কাস্তে’ মার্কায় যারা নির্বাচন করছেন
১। পঞ্চগড়-২ (আশরাফুল আলম)
বৃহত্তর-দিনাজপুর অঞ্চলের ক্ষেতমজুর আন্দোলনের অন্যতম সংগ্রামী নেতা, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি পঞ্চগড় জেলা সাধারণ সম্পাদক কমরেড আশরাফুল আলম।
২। ঠাকুরগাঁও-২ (প্রভাত সমীর শাহজাহান আলম)
৯০’র দশকে ঠাকুরগাঁও জেলার অন্যতম ছাত্রনেতা, ঠাকুরগাঁও পীরগঞ্জ অঞ্চলের সংগ্রামী কৃষকনেতা, বাংলাদেশ কৃষক সমিতি পীরগঞ্জ উপজেলা কমিটির সহ-সভাপতি ও বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি পীরগঞ্জ উপজেলা কমিটির সদস্য প্রভাত সমীর শাহজাহান আলম।
৩। দিনাজপুর-৩ (মো. বদিউজ্জামান বাদল)
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি দিনাজপুর জেলা সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ কৃষক সমিতির দিনাজপুর জেলা সভাপতি, বাকবিশিস দিনাজপুর জেলা সাধারণ সম্পাদক বৃহত্তর দিনাজপুর অঞ্চলের কৃষক ও শিক্ষক আন্দোলনের অগ্রপথিক মো. বদিউজ্জামান বাদল।
৪। দিনাজপুর-৪ (রিয়াজুল ইসলাম রাজু)
খানসামা, চিরিবন্দর অঞ্চলের বিশিষ্ট সমাজ সেবক, সংগঠক, বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক বিশিষ্ট কমিউনিস্ট নেতা রিয়াজুল ইসলাম রাজু।
৫। রংপুর-৬ (অধ্যাপক কামরুজ্জামান)
বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সাবেক ছাত্রনেতা ভূমিহীনদের খাস জমি আন্দোলনের লড়াকু সৈনিক, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি পীরগঞ্জ উপজেলার সভাপতি অধ্যাপক কামরুজ্জামান।
৬। কুড়িগ্রাম-২ (উপেন্দ্রনাথ রায়)
৮০’র দশকের ভূমিহীন মঙ্গা পড়ীতি অঞ্চলের ক্ষেতমজুর আন্দোলনের সংগ্রামী নেতা, ৯০’র দশকের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের সংগঠক, বিশিষ্ট ক্ষেতমজুর নেতা, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)’র কুড়িগ্রাম জেলা কমিটির সভাপতি উপেন্দ্রনাথ রায়।
৭। কুড়িগ্রাম-৩ (দেলোয়ার হোসেন)
উলিপুর-চিলমারী অঞ্চলের ৮০’র দশকের ক্ষেতমজুর আন্দোলনের সংগঠক, বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য দেলোয়ার হোসেন।
৮। গাইবান্ধা-১ (নূরে আলম মানিক)
সুন্দরগঞ্জ অঞ্চলের কৃষক আন্দোলনের অন্যতম নেতা, সিপিবি সুন্দরগঞ্জ উপজেলার নেতা নূরে আলম মানিক।
৯। গাইবান্ধা-৩ (মিহির ঘোষ)
স্বৈরাচারবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সংগঠক, দারিয়াপুর হাটের ইজরাদারবিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্ব দানকারী বিপ্লবী কমিউনিস্ট নেতা, সিপিবির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জননেতা মিহির ঘোষ।
১০। গাইবান্ধা-৫ (যজ্ঞেশ্বর বর্মন)
সাঘাটা, ফুলছড়ি অঞ্চলের সংগ্রামী কৃষকনেতা, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি সাঘাটা উপজেলার সংগ্রামী সাধারণ সম্পাদক যজ্ঞেশ্বর বর্মন।
১১। বগুড়া-৫ (সন্তোষ পাল)
শেরপুর, ধুনট অঞ্চলের সংগ্রামী কৃষক নেতা, ন্যাপ কমিউনিস্ট পার্টি, ছাত্র ইউনিয়ন গেরিলা বাহিনীর সদস্য সিপিবি বগুড়া সদর উপজেলা কমিটির সভাপতি সন্তোষ পাল।
১২। বগুড়া-৬ (আমিনুল ফরিদ)
বগুড়া আজিজুল হক সরকারি কলেজের ছাত্র সংসদের পরপর ২ বার নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক, বগুড়া পৌরসভার পরপর ৪ বার নির্বাচিত কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি বগুড়া জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক এবং কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আমিনুল ফরিদ।
১৩। নওগাঁ-৪ (ডা. ফজলুর রহমান)
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটি সহ-সভাপতি, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ডা. ফজলুর রহমান।
১৪। রাজশাহী-২ (এনামুল হক)
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি রাজশাহী জেলা কমিটির সংগ্রামী সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এনামুল হক।
১৫। সিরাজগঞ্জ-৩ (মোস্তফা নুরুল আমিন)
রায়গঞ্জ, তাড়াশ অঞ্চলের কৃষক ও ক্ষেতমজুর আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক মোস্তফা নুরুল আমিন।
১৬। কুষ্টিয়া-২ (অধ্যাপক ওয়াহেদুজ্জামান পিন্টু)
মিরপুর, ভেড়ামারা অঞ্চলের বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী কমিউনিস্ট নেতা অধ্যাপক ওয়াহেদুজ্জামান পিন্টু।
১৭। ঝিনাইদহ-৪ (ফনিভ‚ষণ রায়)
ঝিনাইদহ অঞ্চলের বিশিষ্ট কৃষক নেতা ফনিভূষণ রায়।
১৮। বাগেরহাট-২ (খান সেকেন্দার আলী)
বাগেরহাট অঞ্চলের অন্যতম কৃষক নেতা, বাংলাদেশ কৃষক সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য খান সেকেন্দার আলী।
১৯। বাগেরহাট-৪ (শরীফুজ্জামান শরীফ)
বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় সংসদের প্রাক্তন সভাপতি, বাংলাদেশ কৃষক সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শরীফুজ্জামান শরীফ।
২০। খুলনা-১ (অশোক সরকার)
বটিয়াঘাটা উপজেলার সিপিবি’র সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর সমিতির খুলনা জেলার সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অশোক সরকার।
২১। খুলনা-২ (এইচ এম শাহাদাৎ)
খুলনা অঞ্চলের প্রবীণ শ্রমিকনেতা, দাদা মেস ফেক্টরির সিবিএ-এর সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির খুলনা মহানগর কমিটির সভাপতি এইচ এম শাহাদাৎ।
২২। খুলনা-৫ (চিত্ত গোলদার)
৮০’র দশকে ভূমিহীন ক্ষেতমজুরদের খাসজমি আন্দোলনের অন্যতম নেতা, বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর সমিতির খুলনা জেলার সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি চিত্ত গোলদার।
২৩। খুলনা-৬ (সুভাষ সানা মহিম)
স্বৈরাচারবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা, সিপিবি পাইকগাছা উপজেলা কমিটির সভাপতি সুভাষ সানা মহিম।
২৪। পটুয়াখালী-১ (মোতলেব মোল্লা)
সিপিবি পটুয়াখালী জেলা সভাপতি জননেতা মোতালেব মোল্লা।
২৫। পটুয়াখালী-২ (শাহাবুদ্দিন মাস্টার)
বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শাহাবুদ্দিন মাস্টার।
২৬। ভোলা-১ (অ্যাড. সোহেল আহমেদ)
বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি, সিপিবি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য বিশিষ্ট আইনজীবী অ্যাড. সোহেল আহমেদ।
২৭। পিরোজপুর-১ (ডা. তপন বসু)
পিরোজপুর সদর উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান, পিরোজপুর জেলা কমিউনিস্ট পার্টির সাবেক সভাপতি জননেতা ডা. তপন বসু।
২৮। পিরোজপুর-২ (হাজী হামিদ)
সামাজিক ও রাজনৈতিক আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক হাজী হামিদ।
২৯। পিরোজপুর-৩ (দিলীপ পাইক)
বিশিষ্ট সমাজসেবক ও সিপিবি পটুয়াখালী জেলা সভাপতি দিলীপ পাইক।
৩০। টাঙ্গাইল-২ (জাহিদ হোসেন খান)
বাংলাদেশের কৃষক আন্দোলনের অন্যতম নেতা, বাংলাদেশ কৃষক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদ হোসেন খান।
৩১। জামালপুর-২ (মনজুরুল আহসান খান)
প্রবীণ কমিউনিস্ট নেতা, বাংলাদেশের শ্রমিক আন্দোলনের অন্যতম নেতৃত্বদানকারী, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সাবেক সভাপতি ও বর্তমানে কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা মনজুরুল আহসান খান।
৩২। জামালপুর-৫ (আলী আক্কাস)
৮০’র দশকে ভূমিহীন ক্ষেতমজুরদের অধিকার আদায়ের অন্যতম সংগ্রামী নেতা, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি জামালপুর জেলার সাবেক সভাপতি, ক্ষেতমজুর সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য জননেতা আলী আক্কাস।
৩৩। শেরপুর-১ সদর (আফিল শেখ)
প্রখ্যাত শ্রমিকনেতা, শেরপুর জেলা বিদ্যুৎ কারিগরী শ্রমিক ইউনিয়নের উপদেষ্টা, সিপিবি সদর উপজেলা কমিটির সদস্য আফিল শেখ।
৩৪। ময়মনসিংহ-৪ (এমদাদুল হক মিল্লাত)
ময়মনসিংহ জেলার বিশিষ্ট আইনজীবী, সিপিবি ময়মনসিংহ জেলা কমিটির সভাপতি, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য জননেতা এমদাদুল হক মিল্লাত।
৩৫। ময়মনসিংহ-৩ (হারুন আল বারী)
গৌরীপুর উপজেলা সিপিবির সাধারণ সম্পাদক, গৌরীপুর উপজেলা ক্ষেতমজুর সমিতির সভাপতি, গৌরীপুর শ্রমিক-কৃষক মেহনতি মানুষের অধিকার আদায়ের আন্দোলনের নেতা হারুন আল বারী।
৩৬। নেত্রকোনা-১ (আলকাছ উদ্দিন মীর)
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি দুর্গাপুর উপজেলার অন্যতম সদস্য।
৩৭। নেত্রকোনা-২ (মোশতাক আহমেদ)
৮০’র দশকের জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রনেতা, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিত্বকারী ও ক্ষেতমজুর আন্দোলনের সংগঠক মোশতাক আহমেদ।
৩৮। নেত্রকোনা-৪ (জলি তালুকদার)
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যতম সম্পাদক, গার্মেন্ট শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক, হাওর অঞ্চলের মানুষের সংগ্রামের লড়াকু নেতা কমরেড জলি তালুকদার।
৩৯। নেত্রকোনা-৩ (মো. আনোয়ার হেসেন)
বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সাবেক ছাত্রনেতা কৃষক সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, সিপিবি জেলা কমিটির সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য মো. আনোয়ার হোসেন।
৪০। কিশোরগঞ্জ-৩ (ডা. মো. এনামুল হক ইদ্রিছ)
সাবেক ছাত্রনেতা, কৃষক আন্দোলনের নেতা জেলা কৃষক সমিতির সভাপতি, পল্লী চিকিৎসক, কৃষক-শ্রমিক-মেহনতি মানুষের বন্ধু ডা. এনামুল হক ইদ্রিছ।
৪১। কিশোরগঞ্জ-১ (অ্যাড. মো. এনামুল হক)
বিশিষ্ট আইনজীবী, সিপিবি জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, প্রগতিশীল ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সংগঠক অ্যাড. মো. এনামুল হক।
৪২। কিশোরগঞ্জ-২ (নুরুল ইসলাম)
কৃষক আন্দোলনের অন্যতম নেতা, বাংলাদেশ কৃষক সমিতির কটিয়াদি উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক, বস্তিবাসী আন্দোলনের সংগঠক নুরুল ইসলাম।
৪৩। কিশোরগঞ্জ-৫ (মো. ফরিদ আহাম্মদ)
সাবেক ছাত্রনেতা, কিশোরগঞ্জ পৌর মহিলা কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রভাষক হিসেবে কর্মরত মো. ফরিদ আহাম্মদ।
৪৪। গাজীপুর-২ (মো. জিয়াউল কবীর)
গাজীপুর জেলা সিপিবি সাধারণ সম্পাদক গার্মেন্ট শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের নেতা, গার্মেন্টস শ্রমিকদের লড়াই সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়ে একাধিকবার কারাবরণকারী মো. জিয়াউল কবীর খোকন।
৪৫। গাজীপুর-৪ (মানবেন্দ্র দেব)
বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি মানবেন্দ্র দেব।
৪৬। ঢাকা-১৩ (রিয়াজ উদ্দিন)
৯০’র স্বৈরাচারীবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সক্রিয় নেতা, মিরপুর থানা ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন ঢাকা মহানগর কমিটির সাবেক সভাপতি ও বর্তমানে যুব ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যতম সম্পাদক রিয়াজউদ্দিন।
৪৭। ঢাকা-১৫ (আহাম্মদ সাজেদুল হক)
সাবেক ছাত্র ইউনিয়ন নেতা, যুব ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় কমিটি প্রেসিডিয়াম সদস্য, কমিউনিস্ট পার্টি ঢাকা কমিটির সংগ্রামী সাধারণ সম্পাদক, ‘অচল ঢাকা সচল’ করার আন্দোলনে নেতৃত দানকারী আহাম্মদ সাজেদুল হক রুবেল।
৪৮। ঢাকা-১ (আবিদ হোসেন)
বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক নেতা, বর্তমানে বাংলাদেশ কৃষক সমিতির সহ-সাধারণ সম্পাদক, এলাকার তৃণমূলের কৃষক ও মেহনতি মানুষের সংগ্রামে নিবেদিত প্রাণ। সিপিবি ঢাকা কমিটির অন্যতম নেতা আবিদ হোসেন।
৪৯। ঢাকা-২ (সুকান্ত শফী কমল)
সাবেক ছাত্র ইউনিয়ন নেতা, বর্তমানে কৃষক সমিতির অন্যতম সম্পাদক সুকান্ত শফি চৌধুরী কমল।
৫০। ঢাকা-৬ (আবু তাহের বকুল)
দীর্ঘদিন ধরে কমিউনিস্ট পার্টির নেতা হিসেবে সূত্রাপুর-কোতোয়ালী অঞ্চলে গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে নিবেদিত প্রাণ, বর্তমানে সিপিবি সূত্রাপুর থানা কমিটির সভাপতি আবু তাহের বকুল।
৫১। ঢাকা-১৩ (খান আহসান হাবীব)
সিপিবির অন্যতম সম্পাদক, ঢাকা কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক খান আহসান হাবীব লাবলু।
৫২। চট্টগ্রাম-১৪ (আব্দুল নবী)
সিপিবি চট্টগ্রাম জেলা কমিটির সভাপতি, সংগ্রামী কৃষক নেতা আব্দুল নবী।
৫৩। চট্টগ্রাম-৯ (মৃণাল চৌধুরী)
প্রবীণ শ্রমিক নেতা, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মৃণাল চৌধুরী।
৫৪। চট্টগ্রাম-৮ (সেহাব উদ্দিন সাইফু)
সাবেক ছাত্র নেতা, বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন চট্টগ্রাম জেলার অন্যতম নেতা, সিপিবি বোয়ালখালি উপজেলার সদস্য সেহাব উদ্দিন সাইফু।
৫৫। নোয়াখালী-৩ (মজিবুল হক)
সংগ্রামী শ্রমিক নেতা, সিপিবি নোয়াখালী জেলা কমিটির সাবেক সভাপতি মজিবুল হক।
৫৬। কুমিল্লা-৫ (আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন)
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু হলের নির্বাচিত সাবেক জিএস, বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতিমন্ডলীর সদস্য আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন।
৫৭। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (অ্যাড. সৈয়দ মোহাম্মদ জামাল)
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনের অগ্রপথিক, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য প্রখ্যাত আইনজীবী অ্যাড. সৈয়দ মোহাম্ম জামাল।
৫৮। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (শাহীন খান)
যুব ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনের সংগঠক, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি নবীনগর উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক শাহীন খান।
৫৯। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (শাহরিয়ার মো. ফিরোজ)
বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর ভূমিহীনদের অধিকার আদায়ের আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক প্রবীণ ক্ষেতমজুর নেতা, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শাহরিয়ার মো. ফিরোজ।
৬০। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (ঈসা খান)
সামাজিক ও গণআন্দোলনের সংগঠক, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কমিটির সদস্য ঈসা খান।
৬১। হবিগঞ্জ-৩ (পীযুষ চক্রবর্তী)
৮০’র দশকে স্বৈরাচারবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম নেতা, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি হবিগঞ্জ জেলা সাধারণ সম্পাদক পীযুষ চক্রবর্তী।
৬২। সুনামগঞ্জ-২ (নিরঞ্জন দাশ খোকন)
দিরাই কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেকভিপি, যুব ইউনিয়ন সিলেট জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক নিরঞ্জন দাশ খোকন।
৬৩। শরীয়তপুর-৩ (সুশান্ত ভাওয়াল)
সাবেক ছাত্র নেতা, সিপিবি শরীয়তপুর জেলা সাধারণ সম্পাদক সুশান্ত ভাওয়াল।
৬৪। ফরিদপুর-৪ (আতাউর রহমান কালু)
কালা মৃধা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান, প্রবীণ কৃষক নেতা আতাউর রহমান কালু।
৬৫। ফরিদপুর-৩ (রফিকুজ্জামান লায়েক)
ফরিদপুরে পুনরায় রেল চালুর সফল আন্দোলন ও ফরিদপুরে পাটকল স্থাপনের আন্দোলনের প্রধান নেতা, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ফরিদপুর জেলা সভাপতি, ও কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য রফিকুজ্জামান লায়েক।
৬৬। ফরিদপুর-২ (হাফিজুর রহমান)
কৃষক আন্দোলনের সংগঠক, ফরিদপুর জেলা কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য হাফিজুর রহমান।
৬৭। নারায়ণগঞ্জ-৫ (অ্যাড. মন্টু ঘোষ)
গার্মেন্ট শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের আন্দোলনের অন্যতম নেতা, প্রবীণ শ্রমিকনেতা, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অ্যাড. মন্টু ঘোষ।
৬৮। নারায়ণগঞ্জ-৪ (ইকবাল হোসেন)
গার্মেন্ট শ্রমিকদের অধিকারের আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক, গার্মেন্ট টিইউসির এজিএস ইকবাল হোসেন।
৬৯। নারায়ণগঞ্জ-৩ (আব্দুস সালাম বাবুল)
শ্রমিকনেতা, সামাজিক আন্দোলন ও গণআন্দোলনের সংগঠক আব্দুস সালাম বাবুল।
৭০। নারায়ণগঞ্জ-২ (হাফিজুল ইসলাম)
শ্রমিক আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির সভাপতি হাফিজুল ইসলাম।
৭১। নারায়ণগঞ্জ-১ (মো. মনিরুজ্জামান চন্দন)
প্রবীণ কৃষক নেতা, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির নারায়ণগঞ্জ জেলার অন্যতম সংগঠক মো. মনিরুজ্জামান চন্দন।
৭২। নরসিংদী-৪ (কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন)
কৃষক আন্দোলনের অন্যতম নেতা, বাংলাদেশ কৃষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক, সিপিবি কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী সাধারণ সম্পাদক কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন।
৭৩। মুন্সীগঞ্জ-১ (সমর দত্ত)
সমাজসেবী, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির শ্রীনগর শাখার সম্পাদক সমর দত্ত।
৭৪। মুন্সীগঞ্জ-৩ (শ. ম কামাল হোসেন)
স্বৈরাচারবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা, সিপিবি মুন্সীগঞ্জ জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক শ. ম কামাল হোসেন।
৭৫। জামালপুর-৩ (শিবলুল বারী রাজু)
সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান, বামপন্থী নেতা।
Login to comment..