Revolutionary democratic transformation towards socialism

ত্রিপুরায় ফ্যাসিস্ট আক্রমণের তীব্র নিন্দা ত্রিপুরাবাসীর প্রতি বাংলাদেশের বামপন্থীদের সংহতি

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ এবং গণতান্ত্রিক বাম মোর্চা [বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী), গণসংহতি আন্দোলন, ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগ, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টি, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক আন্দোলন]’র কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এক বিবৃতিতে নির্বাচনের পরে ত্রিপুরায় হিন্দুত্ববাদী বিজেপি-আরএসএস-এর ফ্যাসিবাদী আক্রমণের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, ত্রিপুরায় নির্বাচনোত্তর ফ্যাসিবাদী হামলায় বাংলাদেশের জনগণ, বাম-প্রগতিশীল শক্তি ও কমিউনিস্টরা ক্ষুব্ধ ও উদ্বিগ্ন। হিন্দুত্ববাদীদের হিংস্রতা ও বর্বরতা থেকে মানবমুক্তির মহান নেতা কমরেড ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিনের ভাস্কর্যও রক্ষা পায়নি। বুলডোজার দিয়ে আদিম হিংস্রতায় ভেঙে দিয়েছে মহামতি লেনিনের ভাস্কর্য। আমরা এ ধরনের ফ্যাসিবাদী বর্বরতার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। লেনিনের ভাস্কর্য ভেঙে লেনিনের আদর্শকে মুছে দেওয়া যায় না। আক্রমণের ফলে লেনিন আরও শক্তিশালী হয়ে উঠেছেন। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, মহামতি লেনিনের ভাস্কর্য ভাঙার পাশাপাশি বিজেপি-আরএসএস-এর সন্ত্রাসীরা বামপন্থী নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা চালাচ্ছে, তাঁদের ঘর-বাড়ি আগুনে পুড়িয়ে দিচ্ছে, বামপন্থী বিভিন্ন দল-সংগঠনের অফিস ভাঙচুর, ভস্মীভূত করেছে। সন্ত্রাসী হামলা থেকে হাসপাতালের রোগীরাও রেহাই পাচ্ছে না। এই ফ্যাসিবাদী আক্রমণ ভারতের প্রগতিশীল মানুষ রুখে দেবে। আর সেই আন্দোলনের পাশে থাকবে বাংলাদেশের জনগণ। বিবৃতিতে বামপন্থী নেতৃবৃন্দ মুক্তিযুদ্ধের সময় ত্রিপুরার মানুষের সংহতি, সহযোগিতার কথা স্মরণ করে বলেন, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি শাসকদের নিপীড়নের মুখে ত্রিপুরাবাসী বাংলার মানুষকে সহযোগিতা-আশ্রয় প্রদান করেছিল। সে কথা আমরা কিছুতেই ভুলে যেতে পারি না। আক্রান্ত ত্রিপুরাবাসীর প্রতি আমরা সংহতি, সহমর্মিতা জ্ঞাপন করছি।

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন

Login to comment..