বাম গণতান্ত্রিক জোট কেন্দ্রীয় পরিচালনা পরিষদের এক সভা আজ বিকাল ৪ টায় সিপিবি কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। জোটের আহবায়ক, সিপিবির প্রেসিডিয়াম সদস্য আবদুল্লাহ ক্বাফী রতনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন সিপিবি'র সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহ্ আলম, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, বাসদ নেতা বজলুর রশীদ ফিরোজ, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশু, ইউসিএলবি’র সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন নান্নু, বাসদ (মার্কসবাদী)'র নেতা ফখরুদ্দিন কবির আতিক, ওয়ার্কাস পার্টি (মার্কসবাদী)'র সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবির জাহিদ, সিপিবি'র সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স, সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের আবাদুল আলী, গণসংহতি আন্দোলনের বাচ্চু ভূঁইয়া, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির শহীদুল ইসলাম সবুজ, ওয়ার্কার্স পার্টির আকবর খান ও সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের রুবেল সিকদার প্রমুখ।
সভার এক প্রস্তাবে বলা হয়, মুজিব জন্মশতবর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তি পালন উপলক্ষে সরকারের কর্মসূচি উদযাপন কালে ১৭ মার্চ থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত বিরোধী দলসমূহকে রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন না করার জন্য ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কমিশনার অনুরোধ জানিয়েছেন। একই সাথে অনুরোধ উপেক্ষা করে যারা কর্মসূচি পালন করবে তাদের রাষ্ট্রদ্রোহী হিসেবে চিহ্নিত করে কঠোর হস্তে দমন করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যা প্রমাণ করে বাংলাদেশ কার্যত একটি পুলিশি রাষ্ট্র।
প্রস্তাবে বলা হয় পুলিশ কমিশনারকে এধরনের বক্তব্য প্রদানের এখতিয়ার কে দিয়েছে? ২০১৮ সালে দিনের ভোট রাতে করে পুলিশ শেখ হাসিনার সরকারকে ক্ষমতায় বসিয়েছে। ফলে পুলিশের এহেন ঔদ্ধত্য দেখাতে পারছে। প্রস্তাবে পুলিশ কমিশনারের এহেন এখতিয়ার বহির্ভূত ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে ঐ বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়।
অপর এক প্রস্তাবে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে ভারতের দাঙ্গাবাজ সাম্প্রদায়িক নরেন্দ্র মোদিকে আমন্ত্রণ করায় তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলা হয়, মোদিকে আমন্ত্রণ জানানো মুক্তিযুদ্ধের ধর্মনিরপেক্ষ চেতনার পরিপন্থী। সভায় মোদিকে সুবর্ণজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে দেয়া আমন্ত্রণ প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়। একই সাথে মোদির আগমনের প্রতিবাদে সকল দেশপ্রেমিক গণতান্ত্রিক শক্তিকে সোচ্চার হওয়ার আহবান জানানো হয়।
Login to comment..