স্বাস্থ্যখাতের সাম্প্রতিক দুর্নীতি সম্পর্কে সিপিবি
যা প্রকাশ্যে এসেছে, তা ‘হিমশৈলের ডগামাত্র’
Posted: 15 জুলাই, 2020
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)’র নেতৃবৃন্দ বলেছেন, সাম্প্রতিক সময়ে স্বাস্থ্যখাতের দুর্নীতির যেসব ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে, তার দায় সরকার কিছুতেই এড়াতে পারে না। দুর্নীতির ব্যবস্থাটা সরকারই পরিচালনা করছে এবং তাকে টিকিয়ে রেখেছে। বড় বড় দুর্নীতির ঘটনা প্রকাশ্যে এলেও, সেসবের কোনো বিচার হচ্ছে না। ব্যাপকভাবে আলোচিত ‘এন-৯৫ মাস্ক দুর্নীতি’র এখনো কোনো বিচার হয়নি। দুর্নীতি এতটাই ব্যাপকভাবে ঘটছে যে, সরকার দুর্নীতির সব ঘটনাকে লুকিয়ে রাখতে পারছে না। দুর্নীতির যেসব ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে, তা ‘হিমশৈলের ডগামাত্র’।
আজ ১৫ জুলাই পার্টির ‘কোভিড-১৯ রেসপন্স টিমে’র ভার্চুয়াল সভায় সিপিবির নেতৃবৃন্দ এসব কথা বলেন। সিপিবির সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরও বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহ আলম, সহ-সাধারণ সম্পাদক কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন, প্রেসিডিয়াম সদস্য লক্ষ্মী চক্রবর্তী, রফিকুজ্জামান লায়েক, মিহির ঘোষ, আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন, অনিরুদ্ধ দাশ অঞ্জন, কেন্দ্রীয় কমিটির সম্পাদক আহসান হাবিব লাবলু, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ডা. ফজলুর রহমান।
সভায় নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, রিজেন্ট গ্রুপের চেয়াম্যান সাহেদ করিম, জেকেজি’র চেয়ারম্যান সাবরিনা আরিফ, জেকেজি’র প্রধান নির্বাহী আরিফুল হক চৌধুরীসহ কয়েজন দুর্নীতিবাজকে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করা যথেষ্ট নয়। দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের ‘রাঘব বোয়াল’দের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় নিয়ে আসাটা জরুরি। তাদের মুখোশ উন্মোচন করতে হবে। দুর্নীতিবাজ সরকার কয়েকজনের ওপর দুর্নীতির দায় চাপিয়ে নিজেকে আড়াল করতে চাইছে।
সভায় নেতৃবৃন্দ দুর্নীতির বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলার পাশাপাশি গণবিরোধী ও দুর্নীতিবাজ সরকারের বিরুদ্ধেও সর্বাত্মক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
বন্যা মোকাবিলায় সরকারি উদ্যোগের দাবি সিপিবির
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)’র সভাপতি কমরেড মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক কমরেড মোহাম্মদ শাহ আলম এক বিবৃতিতে বন্যা মোকাবিলায় সরকারি উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, করোনা-মহামারির মধ্যেই দেশে বন্যা দেখা দিয়েছে। ফলে মানুষের দুর্ভোগ অনেক বেড়েছে। বন্যা মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি গ্রহণে সরকার ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। এখন বন্যার ভয়াবহতা বাড়ছে। বন্যার্ত মানুষ বাঁচাতে ত্রাণ ও পুনর্বাসনের জন্য যথাযথ সরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন।
নেতৃবৃন্দ বন্যার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।