রামপুরায় ঘর ধসে মানুষ নিহত হওয়ায় সিপিবি’র ক্ষোভ এটা নিছক কোন দুর্ঘটনা নয়, পরিকল্পিত হত্যাকান্ড

Posted: 16 এপ্রিল, 2015

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)’র নেতৃবৃন্দ বলেছেন, গতকাল রামপুরায় ঘর ধসে অন্তত ১২ জন মানুষ নিহত হয়েছেন। এ ঘটনাকে নিছক কোন দুর্ঘটনা বলা যায় না। এটা পরিকল্পিত হত্যাকান্ড। এই হত্যাকান্ডের জন্য সরকার-প্রশাসনের উদাসীনতা আর লুটেরাদের লালসাই দায়ী। রামপুরার ঘর ধসে মানুষ নিহত হওয়ার প্রতিবাদে এবং দায়ী ব্যক্তিদের শাস্তির দাবিতে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)’র উদ্যোগে আজ ১৬ এপ্রিল বিকেলে রামপুরা কাঁচাবাজারে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ-সমাবেশে সিপিবি’র নেতৃবৃন্দ এসব কথা বলেন। সিপিবি ও বস্তিবাসী নেতা আব্দুল বারেকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সিপিবি’র প্রেসিডিয়াম সদস্য লক্ষ্মী চক্রবর্তী, কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়রপ্রার্থী আবদুল্লাহ আল ক্বাফী রতন, রাকসু’র সাবেক ভিপি রাগিব আহসান মুন্না, সিপিবি’র কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মুনীরা বেগম অনু, জলি তালুকদার, যুব ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক হাসান হাফিজুর রহমনা সোহেল, ছাত্রনেতা অনিক রায় প্রমুখ। সমাবেশ পরিচালনা করেন হাফিজ আদনান রিয়াদ। নেতৃবৃন্দ বলেন, সরকারের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহযোগিতায় ঢাকার খাল-বিল-জলাশয় দখলের উৎসব চলছে। এসব ভরাট করে মুনাফালোভীরা অপরিকল্পিতভাবে বহুতল ভবনসহ নানা স্থাপনা নির্মাণ করছে। এটা সম্পূর্ণ অবৈধ প্রক্রিয়া। এর ফল যে কত ভয়াবহ হতে পারে তা এর আগে অনেকবার বোঝা গেলেও, সরকার-প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। অপরাধীদের কোন শাস্তি দেওয়া হয়নি। এভাবে পরিকল্পিত হত্যাকান্ড চলছেই। সমাবেশে সিপিবি নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে ঘটনার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার ও বিচার দাবি করে বলেছেন, রামপুরার হত্যাকান্ডের ঘটনার নায়ক সরকার দলীয় নেতা। দখলের প্রশ্নে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি, জামাতের মধ্যে কোন কলহ নেই। এসব গণবিরোধী দলকে প্রত্যাখ্যান করে বিকল্প শক্তির উত্থান ঘটাতে না পারলে, জনগণের ভাগ্য নিয়ে এরা ছিনিমিনি খেলতেই থাকবে। গণবিরোধীদের হাত থেকে বিপন্ন ঢাকা শহরকে বাঁচাতে হবে। বার্তা প্রেরক চন্দন সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় দপ্তর বিভাগ