সুবর্ণচর পরিদর্শন শেষে বাম জোটের প্রেস ব্রিফিংয়ে নেতৃবৃন্দ নারী নির্যাতনের আসামীরা এলাকার দুর্বৃত্ত হিসেবে পরিচিত সরকার দলের সঙ্গে জড়িত বিধায় এদের দাপটে সবাই অতিষ্ট

Posted: 06 জানুয়ারী, 2019

আজ ৬ জানুয়ারি ২০১৯, রবিবার সকাল সাড়ে ১১টায় বাম গণতান্ত্রিকজোটের নেতৃবৃন্দ নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার চরজুবলী ইউনিয়নের ধর্ষিত নারী, তার পরিবার ও স্থানীয় জনতার সঙ্গে সাক্ষাৎ পরবর্তী বক্তব্য তুলে ধরার জন্য মৈত্রী মিলনায়তনে এক প্রেস ব্রিফিং করেন। প্রেস ব্রিফিংয়ে পরিদর্শন টিমের পক্ষ থেকে বক্তব্য তুলে ধরেন বাম জোটের অন্যতম নেতা, সিপিবি’র কেন্দ্রীয় সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স। বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)’র সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, প্রেসিডিয়াম সদস্য লক্ষ্মী চক্রবর্তী, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী)’র কেন্দ্রীয় নেতা শুভ্রাংশু চক্রবর্তী, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ)’র কেন্দ্রীয় নেতা বজলুর রশীদ ফিরোজ, রাজেকুজ্জামান রতন, ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগের কেন্দ্রীয় নেতা আব্দুস সাত্তার, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরোর সদস্য আকবর খান, বহ্নীশিখা জামালী, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশু, গণসংহতি আন্দোলনের নেতা মনিরুদ্দিন পাপ্পু প্রমুখ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। লিখিত বক্তব্যে রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দেওয়াকে কেন্দ্র করে পারুল আক্তারের প্রতি প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা রুহুল আমীন ও তার সহযোগীরা পরিকল্পনা করে। ঐ দিন রাতে অন্ততঃ ৯ জন এই নারীর বাড়িতে যায়। স্বামী ও মেয়েকে বেঁধে রেখে নারীকে গণধর্ষণ করে ও পিটিয়ে আহত করে। ঘর ভাঙচুর করে। ঐ নারীর এক মেয়েকে ধর্ষণ করতেও চেষ্টা চালায়। ঐ মেয়ে পালিয়ে বাঁচে। আহত নারীর সামনে তার স্বামীর সঙ্গে কথা বলে এটা আমরা নিশ্চিত হই যে, ঘটনার পর যাদের নাম এজহারে এসেছে, তার বাইরেও এই ঘটনার সঙ্গে অনেকে জড়িত ছিল। নির্যাতিত নারীর সাক্ষাতেই সেই তথ্য বেরিয়ে আসে। এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা জানা যায়, নির্যাতনের শিকার নারীর পক্ষ থেকে যাদের নাম এসেছে তারা দীর্ঘদিন ধরে এলাকার দুর্বৃত্ত হিসেবে পরিচিত এবং নানা ধরনের অপকর্মে জড়িত। সরকার দলের সঙ্গে জড়িত বিধায় এদের দাপটে সবাই অতিষ্ট। তিনি বলেন, আসামীরা যেহেতু সরকারি দলের সঙ্গে জড়িত, তাই ঘটনাকে যাতে কোন আইনী মারপ্যাঁচে অন্যখাতে প্রবাহিত না করতে পারে, তার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। রুহিন হোসেন প্রিন্স ঘটনার নেপথ্যের পরিকল্পনাকারীসহ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সকলকে এজহারভুক্ত করে দ্রুত বিচার আইনে মামলা পরিচালনা ও দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও নির্যাতিত নারীর সুচিকিৎসা ও তাঁর পরিবারের পুনর্বাসন, নিরাপত্তা ও সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করার দাবি জানান। প্রেস ব্রিফিংয়ে বলা হয়, নির্যাতিত পরিবারের ৪ সন্তান, যাদের সামনে এই ন্যাক্কারজনক ঘটনা সংগঠিত হয়েছে, তাদের মানসিক চিকিৎসাসহ নিরাপত্তা, পড়াশুনা নিশ্চিত এবং নির্যাতিত নারীর স্বামী যাতে নির্বিঘ্নে কর্ম পরিবেশ পায় তার ব্যবস্থা করতে হবে। আরও বলা হয়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রথম থেকে গড়িমসি করাসহ যেসব অভিযোগ উঠেছে, তার তদন্ত করে, দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ ও তাদের দায়িত্ব পালন নিশ্চিত করাতে হবে। রুহিন হোসেন প্রিন্স আরও বলেন, ‘দেশের বিভিন্ন স্থানে এ ধরনের অনেক ঘটনা সংগঠিত হলেও সব ঘটনা দেশবাসীর সামনে আসে না। সুবর্ণচরের ঘটনাও প্রথম থেকে আঁড়াল করার চেষ্টা করা হয়েছিল। সারাদেশে নারী ও আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল পরিবার এবং বিরোধী মতে পরিবারের উপর নির্যাতনের ঘটনা বেড়েই চলেছে। এর বিরুদ্ধে আইনী পদক্ষেপের পাশাপাশি সামাজিক প্রতিরোধও গড়ে তুলতে হবে।’ প্রেস ব্রিফিংয়ে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার নির্যাতনকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে আন্দোলন অব্যাহত রাখার আহ্বান জানানো হয়। উল্লেখ্য গত ৪ জানুয়ারি বাম গণতান্ত্রিক জোটের কেন্দ্রীয় নেতা রুহিন হোসেন প্রিন্স, শুভ্রাংশু চক্রবর্তী, বজলুর রশীদ ফিরোজ, লক্ষ্মী চক্রবর্তী, আব্দুস সাত্তার, আকবর খান নোয়াখালীতে নির্যাতিত নারী, পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে ও এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলতে গিয়েছিলেন। প্রেস ব্রিফিংয়ের লিখিত বক্তব্য- নোয়াখালীর সুবর্ণচরে নির্যাতিত নারী ও তার পরিবারের পাশে বাম জোট নেতৃবৃন্দ মূল পরিকল্পনাকারীসহ প্রকৃত আসামীদের এজহারভুক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি পরিবারের নিরাপত্তা ও সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করার দাবি গত ৩০ ডিসেম্বর ২০১৮ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন (রবিবার) রাতে নোয়াখালী জেলার সুবর্ণচর উপজেলার মধ্যমবাগ্গা গ্রামে গণধর্ষণ, নির্যাতনের শিকার নারী ও তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আমরা বাম গণতান্ত্রিক জোটের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ গত ৪ জানুয়ারি নোয়াখালীতে যাই। প্রতিনিধি দলে ছিলেন, বাম গণতান্ত্রিক জোটের কেন্দ্রীয় নেতা রুহিন হোসেন প্রিন্স, শুভ্রাংশু চক্রবর্তী, বজলুর রশীদ ফিরোজ, লক্ষ্মী চক্রবর্তী, আব্দুস সাত্তার, আকবর খান। স্থানীয় নেতৃবৃন্দের মধ্যে শহীদ উদ্দিন চৌধুরী বাবুল, অ্যাড. মোল্লা হাবিবুর রাসুল মামুন, ডা. আবু তাহের ভূঁইয়া, দলিলের রহমান দুলাল, তারকেশ্বর দেবনাথ নান্টু, আ ন ম জাহের উদ্দিন, ইকবাল হোসেন কাজল, অ্যাড. প্রদ্যুৎ কান্তি পাল, অজয় আচার্য, তপন ঘোষ, মাহিন উদ্দিন চৌধুরী লিটনসহ অসংখ্য নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। দুপুরে আমরা নোয়াখালীর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নির্যাতনের শিকার পারুল আক্তারের সঙ্গে দেখা করি, তাঁর ও তাঁর স্বামী মো. সিরাজুল ইসলাম এবং চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলি। পরে সুবর্ণচরের মধ্যমবাগ্গা গ্রামে নির্যাতিত পারুল আক্তারের বাড়িতে যাই। আমাদের যাওয়ার খবর পেয়ে কয়েকশত নারী পুরুষ জড়ো হন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পুলিশদেরও আমরা দেখতে পাই। আমরা দীর্ঘক্ষণ এলাকাবাসীদের সবার উপস্থিতিতে কথা বলি এবং উল্লেখিত দিনের ঘটনাবলী ও এলাকার পরিস্থিতি সম্পর্কে বক্তব্য শুনি। সরেজমিনে দেখে-শুনে আমাদের মনে হয়েছে : ১. জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দেওয়াকে কেন্দ্র করে পারুল আক্তারের প্রতি প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা রুহুল আমীন ও তার সহযোগীরা পরিকল্পনা করে। ঐ দিন রাতে অন্ততঃ ৯ জন এই নারীর বাড়িতে যায়। স্বামী ও মেয়েকে বেঁধে রেখে নারীকে গণধর্ষণ করে ও পিটিয়ে আহত করে। ঘর ভাঙচুর করে। ঐ নারীর এক মেয়েকে ধর্ষণ করতেও চেষ্টা চালায়। ঐ মেয়ে পালিয়ে বাঁচে। ২. চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে। নির্যাতনের শিকার নারীকে এখনও ভীষণ অসুস্থ অবস্থায় দেখতে পাই। ৩. আহত নারীর সামনে তার স্বামীর সঙ্গে কথা বলে এটা আমরা নিশ্চিত হই যে, ঘটনার পর যাদের নাম এজহারে এসেছে, তার বাইরেও এই ঘটনার সঙ্গে অনেকে জড়িত ছিল। নির্যাতিত নারীর সাক্ষাতেই সেই তথ্য বেরিয়ে আসে। ৪. নির্যাতিত নারী ও তাঁর পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। ৫. ঘটনাস্থলে গিয়ে আমরা টিনের ঘরের ভাংগা বেড়া দেখতে পাই। ৬. ঘটনাস্থলে গেলে কয়েকশ নারী পুরুষ আমাদের সঙ্গে কথা বলতে চান। এর মধ্যে সকলের উপস্থিতিতে আমরা বেশ কয়েক জন নারী-পুরুষের সঙ্গে কথা বলি। বেশ কিছু তথ্য নিশ্চিত হই। কয়েকটি ভয়াবহ তথ্য পাই। এর মধ্যে অন্যতম : ক) ৩০ ডিসেম্বর ২০১৮ (নির্বাচনের দিন) রাতের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত হই। খ) নির্যাতনের শিকার নারীর পক্ষ থেকে যাদের নাম এসেছে তারা দীর্ঘদিন ধরে এলাকার দুর্বৃত্ত হিসেবে পরিচিত এবং নানা ধরনের অপকর্মে জড়িত। গ) এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে স্থানীয় ভূমিহীন সমবায় সমিতির সভাপতি মো. মাহফুজুল হক জানান ৩০ ডিসেম্বরের নির্যাতনের ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুষ্কৃতিকারীরা স্থানীয়। এরা মদ-জুয়া-গাঁজা-নারী নির্যাতনের সঙ্গেও জড়িত। ঘ) সরকার দলের সঙ্গে জড়িত বিধায় এদের দাপটে সবাই অতিষ্ট। ঙ) অতীতেও এই এলাকার দুই জন নারীকে ধর্ষণের ঘটনার কথা জানতে পাই, ঐসব দুর্বৃত্তরা এর সঙ্গে জড়িত। ধর্ষণের শিকার ১ জন উপস্থিত ছিলেন। অন্য জনের মা জানান, ঘটনার পর তার মেয়েকে ঢাকায় পাঠিয়েছেন, গার্মেন্ট-এ কাজ করে, ২ বছর হলো বাড়িতে আনেন না। চ) এলাকার পরিবেশ শান্ত রাখা ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঐসব দুর্বৃত্তদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করলেন সকলে একসঙ্গে। ছ) শত শত এলাকাবাসী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতিতে নির্যাতিত নারীর স্বামী মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, আমি কোনো রাজনীতি করি না। বিগত ইউপি নির্বাচনে রুহুল আমীনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর পক্ষে কাজ করায় রুহুল আমীন অনেক দিন ধরে প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে উদ্যত্ত ছিল। এবারের নির্বাচনে সরকারি দলে বিপরীতের প্রার্থীকে ভোট দেওয়ায় ঐ প্রতিহিংসা নগ্নভাবেই চরিতার্থ করা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত এজহারভুক্ত আসামী ‘চৌধুরীকে’ গ্রেপ্তার করা হয়নি। সে ফোনসহ নানাভাবে হুমকি দিয়ে বলছে যে, ‘তাকে গ্রেপ্তার করা হলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে।’ নির্যাতিত নারীর স্বামী আরও অভিযোগ করে বলেন যে, গ্রেপ্তারকৃত ও এজহারভুক্ত আসামীদের পক্ষে কেউ কেউ হুমকি-ধামকি দিচ্ছে। তিনি আক্ষেপের সঙ্গে প্রশ্ন করে বলেন, পুলিশ কতদিন আমাদের পাহারা দেবে? এরপর কি হবে? ওরা তো শক্তিশালী, সরকারি দলের। আমাদের কে নিরাপত্তা দেবে? ৭. সার্বিক ঘটনাবলী পর্যালোচনায় আমরা মনে করি : * ঘটনার নেপথ্যের পরিকল্পনাকারীসহ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সকলকে এজহারভুক্ত করে দ্রুত বিচার আইনে মামলা পরিচালনা ও দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। * নির্যাতিত নারীর সুচিকিৎসা ও তাঁর পরিবারের পুনর্বাসন, নিরাপত্তা ও সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে। * নির্যাতিত পরিবারের ৪ সন্তান, যাদের সামনে এই ন্যাক্কারজনক ঘটনা সংগঠিত হয়েছে, তাদের মানসিক চিকিৎসাসহ নিরাপত্তা, পড়াশুনা নিশ্চিত করতে হবে। নির্যাতিত নারীর স্বামী যাতে নির্বিঘেœ কর্ম পরিবেশ পায় তার ব্যবস্থা করতে হবে। * আসামীরা যেহেতু সরকারি দলের সঙ্গে জড়িত, তাই ঘটনাকে যাতে কোন আইনী মারপ্যাঁচে অন্যখাতে প্রবাহিত না করতে পারে, তার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। * আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রথম থেকে গড়িমসি করাসহ যেসব অভিযোগ উঠেছে, তার তদন্ত করে, দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ ও তাদের দায়িত্ব পালন নিশ্চিত করাতে হবে। ৮. আমরা মনে করি, দেশের বিভিন্ন স্থানে এ ধরনের অনেক ঘটনা সংগঠিত হলেও সব ঘটনা দেশবাসীর সামনে আসে না। সুবর্ণচরের ঘটনাও প্রথম থেকে আঁড়াল করার চেষ্টা করা হয়েছিল। সারাদেশে নারী ও আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল পরিবার এবং বিরোধী মতে পরিবারের উপর নির্যাতনের ঘটনা বেড়েই চলেছে। এর বিরুদ্ধে আইনী পদক্ষেপের পাশাপাশি সামাজিক প্রতিরোধও গড়ে তুলতে হবে। এজন্য আমরা সচেতন দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। একইসঙ্গে নির্যাতনকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে আন্দোলন অব্যাহত রাখার আহ্বান জানাচ্ছি।