৭ নভেম্বর মহাসমাবেশ ও লাল পতাকা মিছিলে যোগ দিন

Posted: 05 নভেম্বর, 2017

আগামী ৭ নভেম্বর মহাসমাবেশ ও লাল পতাকা মিছিলের প্রাক্কালে আজ পুরানো পল্টনস্থ মুক্তিভবনের মৈত্রী মিলনায়তনে অক্টোবর বিপ্লব শতবর্ষ উদ্যাপন জাতীয় কমিটির সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জাতীয় কমিটির অন্যতম আহ্বায়ক অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী। সঞ্চালনা করেন জাতীয় কমিটির সমন্বয়ক হায়দার আকবর খান রনো। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সিপিবি সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক জাতীয় গণফ্রন্টের সমন্বয়কারী টিপু বিশ্বাস, বাসদ (মার্কসবাদী)’র কেন্দ্রীয় নেতা শুভ্রাংশু চক্রবর্তী, বাসদ কেন্দ্রীয় নেতা বজলুর রশীদ ফিরোজ, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকী, কমিউনিস্ট লীগের সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন নান্নু, সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের আহ্বায়ক হামিদুল হক, গণমুক্তি ইউনিয়নের আহ্বায়ক নাসিরউদ্দিন নাসু, গরিবমুক্তি আন্দোলনের আহ্বায়ক শামসুজ্জামান মিলন, বাসদ (মাহবুব)’র মহিউদ্দিন চৌধুরী লিটন। সংবাদ সম্মেলনে অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, সমাজতন্ত্রে বিশ্বাসী ১২টি রাজনৈতিক দল, ১৬টি শ্রমিক সংগঠন, ১১টি কৃষক-ক্ষেতমজুর সংগঠন, ৩২টি সাংস্কৃতিক সংগঠন, ৭টি ছাত্র সংগঠন, ৭টি নারী সংগঠন, একাধিক যুব ও শিশু-কিশোর সংগঠন জাতীয় কর্মকাণ্ডের সাথে যুক্ত ছিল। জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, আমাদের এই উদ্যাপনের ভেতর দিয়ে বাংলাদেশের সমাজতন্ত্রীরা একত্র হয়েছেন। সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য আন্দোলনরত শ্রেণী ও পেশার সংগঠনগুলোও ঐক্যবদ্ধভাবে কর্মসূচী পালন করেছেন। এদের মধ্যে রয়েছে নারী, ছাত্র, শ্রমিক, কৃষক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। উদ্যাপন রাজধানীতে যেমন তেমনি দেশের সর্বত্রই ঘটেছে। সমাজতন্ত্রের পক্ষে একটি নবজাগরণের আভাস পাওয়া গেছে। আমরা আশা করবো সমাজতন্ত্রীদের এই নৈকট্য স্থায়ী ঐক্যে পরিণত হবে এবং পুঁজিবাদ-বিরোধী সংগ্রাম নতুন বেগ ও গভীরতা পাবে। ৭ নভেম্বরের কর্মসূচি ১. দুপুর ২টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মহাসমাবেশ। ২. বিকাল ৪.৩০টায় লাল পতাকা মিছিল।