Revolutionary democratic transformation towards socialism

চাল, ডাল, তেল, পিয়াজ, সবজিসহ নিত্য পণ্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধিতে উদ্বেগ প্রকাশ বাজার সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ ও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করুন

বাম গণতান্ত্রিক জোট কেন্দ্রীয় পরিচালনা পরিষদের সমন্বয়ক ও বাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য কমরেড বজলুর রশীদ ফিরোজ এবং কেন্দ্রীয় পরিচালনা পরিষদের সদস্য সিপিবি সভাপতি কমরেড মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, সাধারণ সম্পাদক কমরেড শাহ আলম, বাসদ এর সাধারণ সম্পাদক কমরেড খালেকুজ্জামান, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক কমরেড সাইফুল হক, বাসদ (মার্কসবাদী)’র সাধারণ সম্পাদক কমরেড মুবিনুল হায়দার চৌধুরী, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী কমরেড জোনায়েদ সাকি, ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগের সাধারণ সম্পাদক কমরেড মোশাররফ হোসেন নান্নু, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পদক কমরেড মোশরেফা মিশু, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের আহ্বায়ক কমরেড হামিদুল হক আজ ১০ অক্টোবর ২০২০ সংবাদপত্রে দেয়া এক যুক্ত বিবৃতিতে চাল, ডাল, তেল, পিয়াজ, সবজিসহ নিত্য পণ্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে অবিলম্বে বাজার সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ ও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করে সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার আওতায় রাখার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, সরকার দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে চরমভাবে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়ে চলেছে। বার বার সময় বাড়িয়েও বোরো ধান-চাল ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারেনি। চালকল ও চাতাল মালিকদের সিন্ডিকেটের কাছে চালের বাজার আজ জিম্মি, সরকার সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা না নিয়ে বরং তাদের পৃষ্ঠপোষকতা করছে। পিয়াজের দাম গত বছর ৩০০ টাকা কেজি হয়েছিল, এবারেও ১০০/১২০ টাকা কেজি দরে পিয়াজ বিক্রি হচ্ছে। গতবছরের সংকট থেকে কোন শিক্ষাই সরকার নেয়নি, ফলে এবারেও পিয়াজের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে গেছে। আলুর দাম গত বছরের দ্বিগুণ হয়ে ৪৫/৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ৫০ টাকা কেজির নীচে কোন সবজি নাই। করল্লা, টমেটো ১০০/১২০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। মসুর ডালের দামও বেড়েছে। সয়াবিন তেল লিটার প্রতি ৫/৭ টাকা বেড়েছে। এ অবস্থায় জনজীবনে নাভিশ্বাস উঠেছে। বিবৃতিতে বলা হয়, করোনা সংকটে সকল মানুষের আয় কমেছে, কর্মহীন হয়েছে অনেকে; দারিদ্র বেড়েছে। এ অবস্থায় দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন উর্ধ্বগতি জনজীবনকে পর্যুদস্ত করে ফেলছে। বিবৃতিতে বাজার সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ, খাদ্য পণ্যের বেসরকারি বাণিজ্য বন্ধ করে রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণে আনা, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করে জনগণের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখা এবং গ্রাম-শহরে শ্রমজীবী ও মধ্যবিত্তদের জন্য আর্মি রেটে রেশনিং ব্যবস্থা এবং গণবণ্টন ব্যবস্থা চালুর দাবি জানানো হয়। বিবৃতিতে মূল্যবৃদ্ধি রোধ ও বাজার সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে গণআন্দোলন গড়ে তোলার জন্য বাম-প্রগতিশীল-গণতান্ত্রিক শক্তির প্রতি আহ্বান জানান।

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন

Login to comment..