Register or Login
গণতন্ত্রের তীব্র লড়াইয়ের জন্য দেশবাসীকে প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান ভোট ডাকাতি ও প্রহসনের নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করেছে সিপিবি-বাসদ
Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী আবদুল্লাহ আল ক্বাফী রতন
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ-এর নেতৃবৃন্দ এক সংবাদ সম্মেলন থেকে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে ভোট ডাকাতি ও প্রহসনের নির্বাচন বলে আখ্যায়িত করে তা প্রত্যাখ্যান করেছেন। আজ ২৮ এপ্রিল বিকেলে কমরেড মণি সিংহ সড়কস্থ মুক্তিভবনের মৈত্রী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলন থেকে সিপিবি-বাসদ-এর নেতৃবৃন্দ এ ঘোষণা দেন। সংবাদ সম্মেলনে সূচনা বক্তব্য রাখেন ও সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন সিপিবি’র সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবু জাফর আহমেদ। নির্বাচনে বিভিন্ন অনিয়ম তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন সিপিবি-বাসদসহ বামপন্থীদের সমর্থিত ঢাকা উত্তরের মেয়র পদপ্রার্থী আবদুল্লাহ আল ক্বাফী (কাফি রতন), ঢাকা দক্ষিণের মেয়র পদপ্রার্থী বজলুর রশীদ ফিরোজ, কাউন্সিলর পদপ্রার্থী প্রকৌশলী শম্পা বসু। সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন সিপিবি’র প্রেসিডিয়াম সদস্য সাজ্জাদ জহির চন্দন, বাসদ-এর কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য রাজেকুজ্জামান রতন, সিপিবি’র কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য রুহিন হোসেন প্রিন্স, জলি তালুকদার, ডা. সাজেদুল হক রুবেল, বাসদ নেতা রওশন আরা রুশো, খালেকুজ্জামান লিপন, সিপিবি নেতা আসলাম খান প্রমুখ। সংবাদ সম্মেলনে কমরেড জাফর বলেন, ভোটকেন্দ্র দখল করে, আগে থেকেই ব্যালট বাক্স ভরে রেখে, সরকার সমর্থিত প্রার্থীদের বাইরে অন্য প্রার্থীদের এজেন্টদের বের করে করে দিয়ে, সরকার সমর্থিত প্রার্থীদের পক্ষে জালভোটের উৎসবের মাধ্যমে জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে। আমরা গতকাল জরুরি সংবাদ সম্মেলন করে নির্বাচন নিয়ে আমাদের আশঙ্কার কথা বলেছিলাম। মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নিতে মাস্তানবাহিনী নামানোসহ নানা ষড়যন্ত্রের কথা আমরা স্পষ্ট করে বলেছিলাম। আমাদের আশঙ্কা আজ নির্মমভাবে সত্য প্রমাণিত হয়েছে। কমরেড জাফর আরো বলেন, ৫ জানুয়ারির ভোটারবিহীন একতরফা নির্বাচন, জালিয়াতির উপজেলা নির্বাচনের পর আজকের ভোট ডাকাতি ও প্রহসনের নির্বাচনের মধ্য দিয়ে প্রমাণ হয়েছে, এই সরকারের অধীনে কোন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব নয়। নির্বাচনের নামে জনগণের সাথে তামাসার মাধ্যমে গণতন্ত্রের কফিনে শেষ পেরেক ঠোকা হয়েছে। দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে আমরা যে গণতান্ত্রিক অধিকার অর্জন করেছিলাম, তা আজ ভূলুণ্ঠিত। সরকারের ফ্যাসিবাদী প্রবণতার বিরুদ্ধে এবং গণতন্ত্রের জন্য আবারও দেশবাসীকে তীব্র লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিতে হবে। দক্ষিণের মেয়র পদপ্রার্থী ফিরোজ বলেন, আজকের ভোট ডাকাতির উৎসবে নির্বাচন কমিশন, পুলিশ, প্রশাসন সরকারের সহযোগী হিসেবে কাজ করেছে। আজকের নির্বাচন জিয়া-এরশাদের নির্বাচনী তামাশাকেই মনে করিয়ে দেয়। দেশবাসীকে বড় লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিতে হবে। উত্তরের মেয়র পদপ্রার্থী ক্বাফী তাকে লাঞ্ছিত করার বিষয় তুলে ধরে বলেন, যখন একজন মেয়র পদপ্রার্থীই আক্রান্ত হন, তখন সেই নির্বাচন কেমন হয়েছে তা বোঝা যায়। নির্বাচনের কয়েকদিন আগে থেকেই সন্ত্রাসের আবহ তৈরি করা হয়েছিল। আমার নির্বাচনী প্রচারণায়, নির্বাচনী অফিসে সরকার দলীয় সন্ত্রাসীরা হামলা করেছে। আজকে নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে অনেক সাংবাদিকও আক্রান্ত হয়েছেন। এসব হামলার তীব্র নিন্দা জানাই। কাউন্সিলর পদপ্রার্থী শম্পা বলেন, আজকে নারী এজেন্ট-কর্মীদের ওপরও হামলা করা হয়েছে। ভোটকেন্দ্রের আশেপাশে আমাদের কর্মীদের দাঁড়াতেই দেয়নি পুলিশ ও সরকার দলীয় সন্ত্রাসীরা। বার্তা প্রেরক চন্দন সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় দপ্তর বিভাগ

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..

© Copyright Communist Party of Bangladesh 2019. Beta