Register or Login
নির্বাচনী পর্যালোচনা সভায় কমরেড সেলিম গণজাগরণে ভীত হয়ে সরকার নজিরবিহীন ভোট ডাকাতি করেছে
Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)’র সভাপতি কমরেড মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেছেন, গণবিচ্ছিন্ন মহাজোট সরকার একের পর এক গণবিরোধী কার্যক্রম পরিচালনা করছে। ক্ষমতার নেশায় মত্ত হয়ে যেকোনো উপায়ে ক্ষমতা ধরে রাখতে চেয়েছে। নীতিহীন সরকার লাজ-লজ্জা বিসর্জন দিয়ে নির্বাচনের নামে যা করেছে, তা একইসঙ্গে হাস্যকর এবং জনগণের জন্য চরম অপমানজনক। ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত মানুষ ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য ব্যাকুল হয়ে উঠেছিল। গণজাগরণে ভীত হয়ে সরকার তাই ক্ষমতা ধরে রাখতে নজিরবিহীন ভোট ডাকাতি করেছে। আজ ১০ জানুয়ারি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সিপিবি মনোনীত প্রার্থীদের নির্বাচনী পর্যালোচনাসভায় কমরেড সেলিম এসব কথা বলেন। সভায় সূচনা বক্তব্য রাখেন সিপিবির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহ আলম। সভায় প্রার্থীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন এমদাদুল হক মিল্লাত, শরীফুজ্জামান শরীফ, অশোক সরকার, বদিউজ্জামান

বাদল, ইসা খান, নিরঞ্জন দাশ খোকন, এইচ এম শাহাদাৎ, সন্তোষ পাল, মোশতাক আহমেদ, দেলোয়ার হোসেন, চিত্ত গোলদার, যজ্ঞেশ্বর বর্মন, হারুণ আল বারী, পীযূষ চক্রবর্তী, আশরাফুল আলম, হাফিজুল ইসলাম, মনিরুজ্জামান চন্দন, আব্দুস সালাম বাবুল, সুশান্ত ভাওয়াল, অধ্যক্ষ আনোয়ার হোসেন, প্রভাত সমীর, ওয়াহেদুজ্জামান পিণ্টু, আবু তাহের বকুল, আবিদ হোসেন, সৈয়দ মোহাম্মদ জামাল, রিয়াজউদ্দিন, ডা. ফজলুর রহমান, মোতালেব মোল্লা, ডা. এনামুল হক ইদ্রিস, জাহিদ হোসেন খান, আতাউর রহমান কালু, দিলীপ পাইক, রিয়াজুল ইসলাম রাজু, মানবেন্দ্র দেব, শাহাবুদ্দিন আহমেদ, নূরুল ইসলাম, অধ্যাপক কামরুজ্জামান। সভায় কমরেড সেলিম আরও বলেন, সরকার জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। ‘ভুয়া ভোটের ভুয়া নির্বাচন’ করে ক্ষমতা ধরে রাখতে চাইছে। গোয়ার্তুমির মাধ্যমে সরকার যে নজিরবিহীন নির্বাচন করল, তা বাংলাদেশের ইতিহাসে কালো অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হবে। সরকারের পায়ের নিচে

মাটি নেই। ৩০ ডিসেম্বর সরকারের নাজুক অবস্থা প্রকাশিত হয়েছে। ত্রাসের পরিবেশ সৃষ্টি করে জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে পুলিশ, প্রশাসন আর সন্ত্রাসীদের ওপর ভর করে সরকার টিকতে পারবে না। জনতার দুর্বার প্রতিরোধ আন্দোলন গড়ে উঠবে। সভায় কমরেড মোহাম্মদ শাহ আলম বলেন, যতটুকু প্রচারের সুযোগ আমরা পেয়েছি, তাতে জনগণের ব্যাপক সাড়া আমরা পেয়েছি। মানুষের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। মানুষ এখন বিকল্প রাজনীতির উত্থান চায়। আন্দোলনের অংশ হিসেবে আমরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছি। আমরা আন্দোলন আরও তীব্র করব। জনগণের বিরুদ্ধে সরকারের আক্রমণ যত তীব্র হবে, আন্দোলন তত তীব্র হবে। কমরেড শাহ আলম ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচন বাতিল করে অবিলম্বে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবি জানান। সভায় সিপিবির প্রার্থীরা নির্বাচনের আগে-পরে জনগণের ওপর সরকারের হামলা, বাধাপ্রদান, ভোট ডাকাতির চিত্র এবং তাঁদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..

© Copyright Communist Party of Bangladesh 2019. Beta