Register or Login
শ্রেণি-পেশার সংগঠনসমূহের সাথে বাম গণতান্ত্রিক জোটের মতবিনিময় সভায় নেতৃবৃন্দ ভোট ও ভাতের অধিকার এগিয়ে নিতে গণসংগ্রাম জোরদার করতে হবে গণতন্ত্র না থাকলে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ হয় শ্রমজীবী মেহনতি মানুষ
Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email

আজ ৩০ আগস্ট বাম গণতান্ত্রিক জোটের উদ্যোগে শ্রেণি-পেশার নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয। বাম গণতান্ত্রিক জোটের সমন্বয়ক সাইফুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় শ্রমিক-কৃষক-ক্ষেতমজুর-চিকিৎসক-প্রকৌশলী-কৃষিবিদ-আইনজীবী-শিক্ষক-ছাত্র-যুবক-নারী-সাংস্কৃতিক-আদিবাসী প্রভৃতি গণসংগঠনসমূহের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বাম গণতান্ত্রিক জোটের নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিপিবি সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, বাসদ নেতা বজলুর রশীদ ফিরোজ, বাসদ (মার্কসবাদী)’র নেতা ফখরুদ্দিন কবির আতিক, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশু, ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগের সম্পাদকম-লীর সদস্য আজিজুর রহমান, গণসংহতি আন্দোলনের রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য ফিরোজ আহমেদ, সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের আহ্বায়ক হামিদুল হক। মতবিনিময় সভা পরিচালনা করেন সিপিবি’র সহকারী সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ জহির চন্দন। মতবিনিময় সভার শুরুতে বাম গণতান্ত্রিক জোটের সমন্বয়ক সাইফুল হক জোটের পক্ষ থেকে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে জোটের করণীয় উত্থাপন করেন। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্বে বর্তমান সরকারের পদত্যাগ, দল নিরপেক্ষ নির্বাচন তদারকি সরকার গঠন, নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠনসহ নির্বাচনকে অবাধ নিরপেক্ষ করার জন্য কালো টাকা, পেশিশক্তি, ধর্মের অপব্যবহার রোধ, সংখ্যানুপাতিক নির্বাচন পদ্ধতি চালুর প্রস্তাব তুলে ধরেন। তিনি বলেন গণতন্ত্র না থাকলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয় শ্রমজীবী মেহনতি মানুষ। তিনি গার্মেন্ট শ্রমিকসহ সকল সেক্টরের শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির সংগ্রাম, ক্ষেতমজুরদের ন্যায্য মজুরি ও সারাবছর কাজের নিশ্চয়তার সংগ্রাম, কৃষকদের উৎপাদিত

ফসলের লাভজনক মূল্য প্রাপ্তির যে সংগ্রাম চলছে সে সকল লড়াইয়ের সাথে বাম গণতান্ত্রিক জোটের পক্ষ থেকে একাত্মতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক সংগ্রামকে জয়ী করতে হলে সাম্প্রদায়িক শক্তিকে পরাভূত করতে হবে। শিক্ষা-সংস্কৃতির আন্দোলনকে এগিয়ে নিতে হবে। সিপিবি সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম তাঁর বক্তব্যে বলেন, প্রতিক্রিয়াশীলতার বিরুদ্ধে আমরা বাম গণতান্ত্রিক জোট প্রগতির পতাকা উর্ধ্বে তুলে ধরেছি। সমাজের সর্বত্র আজ সংকটে আক্রান্ত। এই সংকট থেকে মুক্তি পেতে হলে আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে লড়তে হবে। শাসকশ্রেণির কাছে বাংলাদেশ আজ পরিত্যক্ত ভূমি। এদেশের পরিবেশ-শিক্ষা-সংস্কৃতি-অর্থনীতি অবনতিতে তাদের কিছু আসে যায় না। কারণ বিদেশে রয়েছে তাদের দ্বিতীয় আবাস। আমাদেরকে আশু-মধ্যবর্তী ও দূরবর্তী রাজনৈতিক লক্ষ্য অর্জনের লড়াইকে একইসাথে এগিয়ে নিতে হবে। গণসংগঠনসমূহের নেতৃবৃন্দ বলেন দ্বি-দলীয় চক্রের যাঁতাকলে দেশ ও সামজ আজ পিষ্ট। বাম গণতান্ত্রিক জোটকে দ্বি-দলীয় চক্র ভেঙে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। দেশে নিপীড়িত মেহনতি মানুষের কণ্ঠস্বর হিসেবে বাম জোটকে শোষণমুক্তির নেতৃত্ব দিতে হবে। শ্রেণি-পেশার নেতৃবৃন্দের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ইয়াসিন, বহ্নিশিখা জামালী, ডা. শাকিল আখতার, আব্দুর রাজ্জাক, অ্যাড. আবু তাহের, শামীম ইমাম, জুলকার নাইন বাবু, বিনয় চাকমা, অ্যাড. জান্নাতুল মরিয়ম, জামসেদ আনোয়ার তপন, প্রকৌশলী নিমাই গাঙ্গুলী, তসলিমা আক্তার বিউটি, গোলাম মোস্তফা, অ্যাড. মাহবুবুর রহমান, অ্যাড. মন্টু ঘোষ, জাহিদ হোসেন খান, অধ্যাপক আব্দুস সাত্তার, সেলিম মাহমুদ, আবদুল্লাহ শাহরিয়ার সাগর, শামসুজ্জামান হীরা, আব্দুল মান্নান, শম্পা বসু, আমেনা আক্তার প্রমুখ।

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..

© Copyright Communist Party of Bangladesh 2019. Beta