Register or Login
নির্বাচন কমিশনকে বাম জোট নেতৃবৃন্দের হুঁশিয়ারী সরকারের ইচ্ছানুযায়ী আরপিওতে আর কোনো অগণতান্ত্রিক ও বিতর্কিত ধারা মেনে নেয়া হবে না জাতীয় নির্বাচনে জামানত ৫ হাজার টাকা ও সর্বোচ্চ ব্যয়সীমা ৩ লক্ষ টাকা নির্ধারণসহ অবাধ নির্বাচনের জন্য আরপিও’র গণতান্ত্রিক সংস্কার করুন
Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email
আজ বাম গণতান্ত্রিক জোটের সমন্বয়ক ও বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক মো. শাহ আলম, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের সাধারণ সম্পাদক খালেকুজ্জামান, বাসদ (মার্কসবাদী) এর কেন্দ্রীয় নেতা শুভ্রাংশু চক্রবর্তী, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগের সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন নান্নু, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশু ও সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের আহ্বায়ক হামিদুল হক এক যুক্ত বিবৃতিতে সরকারি দলের রাজনৈতিক ইচ্ছা অনুযায়ী গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও)-তে নতুন করে যেকোনো ধরনের অগণতান্ত্রিক ও বিতর্কিত ধারা যুক্ত করার পাঁয়তারা সম্পর্কে নির্বাচন কমিশনকে সতর্ক করে দিয়েছেন এবং বলেছেন অধিকাংশ রাজনৈতিক দলের আপত্তির মুখে আগামী জাতীয় নির্বাচনে বিতর্কিত ইভিএম পদ্ধতি ব্যবহারের কোনো অবকাশ নেই। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, নির্বাচন কমিশনের সাথে সংলাপে রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কারসহ আরপিও’র অগণতান্ত্রিক ও বৈষম্যমূলক ধারা বাতিল করে আরপিও’র গণতান্ত্রিক সংস্কারসহ কালো টাকা ও পেশীশক্তিনির্ভর নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কারের যে সকল সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব তুলে ধরেছিল সে সম্পর্কে আজ পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের কোনো তৎপরতা লক্ষ্য করা যায়নি। সংলাপ চলাকালীন নির্বাচন কমিশন ও অনেকগুলো সংস্কার প্রস্তাবের সাথে মতৈক্য পোষণ করেছিলেন এবং সে অনুযায়ী আরপিও’তে গণতান্ত্রিক সংস্কারের কথা বলেছিলেন। নির্বাচন কমিশন তার ওয়াদা রাখেনি এবং এর মধ্য দিয়ে নির্বাচন কমিশন আরো একবার নিজেদের চরম অকার্যকারিতার প্রমাণ রেখেছে। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ জাতীয় নির্বাচনে সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব ব্যবস্থা প্রবর্তন, প্রার্থীর সর্বোচ্চ নির্বাচনী ব্যয়সীমা কমিয়ে ৩ লক্ষ টাকা নির্ধারণ, জামানতের টাকা পাঁচ হাজার নির্ধারণ, প্রার্থীর নির্বাচনী আয়-ব্যয় জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত রাখা, মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের আগেই প্রার্থী ও পরিবারের সদস্যদের সম্পদের বিবরণ প্রকাশ, নির্বাচনে সকল প্রার্থীর সমসুযোগ, অনলাইনে মনোনয়নপত্র জমা দেবার বিধান চালু, ‘না’ ভোটের বিধান চালু, স্বতন্ত্র প্রার্থী হবার ক্ষেত্রে অগণতান্ত্রিক ধারা বাতিল, নারী আসন বৃদ্ধি করে প্রত্যক্ষ নির্বাচন, সন্ত্রাস, পেশীশক্তি ও দুর্বৃত্তমুক্ত নির্বাচন নিশ্চিত করতে আরপিও’তে গণতান্ত্রিক ধারা সংযুক্ত করার দাবি জানান। নেতৃবৃন্দ হুঁশিয়ারী উচ্চারণ করে বলেন, নির্বাচন কমিশন আরপিও’তে এসব ন্যূনতম সংশোধনী আনতে ব্যর্থ হলে সরকারের পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলা ছাড়া আর কোনো পথ থাকবে না।

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..

© Copyright Communist Party of Bangladesh 2019. Beta