Register or Login
পল্টন হত্যাকাণ্ডের ১৬তম বার্ষিকীতে কমরেড মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম পল্টনের শহীদদের সংগ্রামের পথ ধরে কমিউনিস্ট পার্টি লড়াই চালিয়ে যাবে
Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)’র সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেছেন, কমিউনিস্ট পার্টির অগ্রযাত্রা থামাতেই পল্টনে মহাসমাবেশে বোমা হামলা চালিয়ে নির্মমভাবে ৫ জন কমরেডকে হত্যা করা হয়েছিল। পল্টন হত্যাকাণ্ডে যাঁরা শহীদ হয়েছেন, তাঁরা প্রত্যেকেই শোষণমুক্ত-শ্রেণিহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে বিশিষ্ট ভূমিকা পালন করেছেন। তাঁরা স্বপ্ন দেখতেন সমাজতান্ত্রিক-সাম্যবাদী সমাজের। বার বার কমিউনিস্ট পার্টির ওপর হামলা হয়েছে। পল্টন বোমা-হামলা কমরেড হিমাংশু মণ্ডলের জীবন কেড়ে নিলেও, তাঁর হাত থেকে লাল পতাকা ছিনিয়ে নিতে পারেনি। হত্যা-নির্যাতন করে আদর্শের লড়াই থেকে কমিউনিস্টদের কখনই বিচ্যুত করা যাবে না। কমরেড সেলিম আরও বলেন, শ্রমিক মেহনতি মানুষের মুক্তির সংগ্রামে প্রাণ উৎসর্গ করা শহীদদের দেখানো পথে গার্মেন্ট শ্রমিক, হকারসহ দেশের শ্রমজীবী মানুষের লড়াই সংগ্রামে কমিউনিস্টদের ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। এই সংগ্রামকে শ্রমিক শ্রেণির রাজনৈতিক লড়াইয়ে যুক্ত করতে হবে। সমাবেশে কমরেড সৈয়দ আবু জাফর আহমেদ বলেন, পল্টন হত্যাকাণ্ডের বিচারপ্রক্রিয়াকে দীর্ঘসূত্রিতার মধ্যে ফেলে দেওয়া হয়েছে। বামপন্থীরা ক্ষমতায় গিয়ে এই হত্যাকাণ্ডের বিচার করবে। হামলা করে, খুন করে বামপন্থীদের অগ্রযাত্রা থামানো যায় না। তৎকালীন সরকার ও তার পুলিশ বাহিনী এই হত্যাকাণ্ডকে কমিউনিস্ট পার্টির অভ্যন্তরীণ কোন্দল বলে চালিয়ে দিতে চেয়েছিল। শহীদদের আদর্শ সমাজতন্ত্র-সাম্যবাদ কায়েমই শহীদদের প্রতি যথাযথ সম্মান জানানোর পথ। তিনি আরও বলেন, বোমা হত্যাকাণ্ডের সাথে সরাসরি জড়িত সকলের পাশাপাশি, এর নেপথ্যের হোতাদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। আজ ২০ জানুয়ারি, সকাল ১০টায় পুরানা পল্টনে মুক্তিভবনের সামনে পল্টন হত্যাকাণ্ডের শহীদদের স্মরণে নির্মিত অস্থায়ী শহীদ বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণের পর অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি কমরেড মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক কমরেড সৈয়দ আবু জাফর আহমেদ বক্তব্য রাখেন। এরপূর্বে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটি শহীদ বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন সিপিবির প্রেসিডিয়াম সদস্য কমরেড হায়দার আকবর খান রনো, সাজ্জাদ জহির চন্দনসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ। এরপর সাধারণ সম্পাদক কমরেড খালেকুজ্জামান ও কেন্দ্রীয় নেতা বজলুর রশিদ ফিরোজ-এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল, সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এমপি ও সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি-এর নেতৃত্বে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান ও সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী-এর নেতৃত্বে জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি, তেল-গ্যাস খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক প্রকৌশলী শেখ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ, পলিটব্যুরো সদস্য কমরেড আনিসুর রহমান মল্লিক-এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি, সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টু-এর নেতৃত্বে গণফোরাম, সাধারণ সম্পাদক কমরেড সাইফুল হক-এর নেতৃত্বে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য এ এস এ সবুর-এর নেতৃত্বে ঐক্য ন্যাপ, শফিক আহমেদ খান-এর নেতৃত্বে ন্যাপ, আব্দুল গফুর-এর নেতৃত্বে গণতন্ত্রী পার্টি, সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য কমরেড অধ্যাপক আব্দুস সাত্তারের নেতৃত্বে ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগ, অ্যাড. হাবিবুর রহমান শওকত-এর নেতৃত্বে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ, কেন্দ্রীয় নেতা মানস নন্দী-এর নেতৃত্বে বাসদ (মার্কসবাদী), পলিটব্যুরো সদস্য লুৎফুর রহমান-এর নেতৃত্বে সাম্যবাদী দল (এম এল), কেন্দ্রীয় রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য আবুল হাসান রুবেল-এর নেতৃত্বে গণসংহতি আন্দোলন, কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক নাসিরুদ্দিন আহমেদ নাসু-এর নেতৃত্বে গণমুক্তি ইউনিয়ন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মহসীন-এর নেতৃত্বে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদ, শহীদুল্লাহ কায়সার-এর নেতৃত্বে নাগরিক ঐক্যসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, পেশাজীবী ও শ্রেণি সংগঠন শহীদদের স্মরণে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে। অস্থায়ী শহীদ বেদিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ বিভিন্ন সংগঠন, ব্যক্তি পল্টনের শহীদদের স্মরণে অস্থায়ী বেদীতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে। পুষ্পমাল্য অর্পণ করে- বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র, বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী, বাংলাদেশ কৃষক সমিতি, বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর সমিতি, গার্মেন্ট শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র, কেন্দ্রীয় খেলাঘর আসর, বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন, প্রগতি লেখক সংঘ, বাংলাদেশ হকার্স ইউনিয়ন, প্রাইভেট কার ড্রাইভার্স ইউনিয়ন,

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..

© Copyright Communist Party of Bangladesh 2019. Beta